নারী বানিজ্যেয় শতকোটি টাকার মালিক ”শাওন”

0

অপরাধ প্রতিবেদক : সংবাদ প্রকাশ,,,,

মাসাজের বিভিন্ন আইটেম প্রদর্শন

গুলশানে নারী বানিজ্যের শির্ষে শাওন নামের একব্যাক্তির বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার মালিক বনে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে । শাওনের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভূক্তভোগীদের অভিযোগ ম্যডি-ট্রিটমেন্টের নামে চালাচ্ছে পতিতাবৃত্তির ব্যবসা ।

কলেজ ভার্সিটিতে পড়ুয়া মেয়েদের দিয়ে মাসাজের নামে চালাচ্ছে অশ্লিল প্রতারনা, হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা। অভিনব প্রচারনায় মুগ্ধ হয়ে টাকাওলা ব্যক্তিরা সুস্থ থাকার লোভে পড়ছে প্রতারনার ফাঁদে। অসংখ্য ভূক্তভোগীদের অভিযোগ রয়েছে শাওনের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে লোক লজ্জা ও মানসম্মানের ভয়ে প্রশাসনের কাছে মূখ খুলছে না তারা, নিরুপায় হয়ে সাংবাদিকের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেন।

সেভেন স্কাই নামক প্রতিষ্ঠান এর মূল ফটক

উক্ত বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গেলে শাওন বিষয়টি জানতে পারে ,অত:পর সাংবাদিককে ফোন মারফত চাঁদাবাজির মামলা দিবে বলে হুমকী দেয়। সাংবাদিক শাওনের কথার জবাবে জানায় উক্ত ব্যবসা বৈধ হলে ক্যমেরা প্রদর্শনে খদ্দেররা  ভয়ে পালিয়ে যাওয়ার কারন কি? শাওন জানায় তার হাত নাকি অনেক লম্বা যে কারনে সাংবাদিককে চাঁদাবাজির মামলা সহ দেখে নেয়ার  হুমকি দেয় । শাওনের অবৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি জানায় বিভিন্ন মাসাজের রেট দেওয়া সত্বেও অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিনব কৌসলের কথা, প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মেয়েরা গোপন কক্ষে খদ্দেরকে নিয়ে পরনের কাপড় খুলতে বাধ্য করে, অত:পর অন্ধকার রুমে আধোঁআলোতে শুইয়ে শরীর মাসাজ করার একপর্যায়ে খদ্দেরের শরীর উত্তেজিত করে টাকা আদায়ের ফন্দি শুরু করে, প্রথমে ৩০/৪০ হাজার টাকা দাবী করে মেয়েরা দর কষা-কশির শেষে ১০/১৫ হাজারে পৌছে অত:পর খদ্দের বেচারা পকেট খোয়াঁতে বাধ্য হয় । প্রতারনা করা টাকা হতে অর্ধেক অংশ শাওন তার প্রতিষ্ঠানের ফান্ডে রেখে দেয় বাকিটা মেয়েরা নেয়।

লেসি কেয়ার নামক প্রতিষ্ঠানের মূল ফটক

এভাবে প্রতিদিন গড় ১০/ ২০ জন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা হাতানোর অভিযোগ রয়েছে। শাওনের প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে আসা ছদ্মনাম (A) জানায় আমি দৈনিক ২/৩ টা কাজ করলেই ১৫/২০ হাজার টাকা হয়ে যায়, এভাবে মাসে ১০/১২ দিন কাজ করে মাসে দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকা উপার্জন করি। ৮/১০ জন করে মেয়ে কর্মি থাকে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে, তাদের দ্বারা প্রতারনার অর্ধেক টাকা শাওন ভাগ পায় বলে জানায়। শাওনের প্রতিটা প্রতিষ্ঠান হতে মাসে অবৈধ আয় ৬০/৭০ লক্ষ টাকা। চারটা প্রতিষ্ঠান হতে অবৈধ কামাই ২/৩ কোটি টাকা ।  প্রতিমাসে নামমাত্র আয় দেখিয়ে কন্টাক্ট ভিত্তিতে আয়কর দিচ্ছে সিটি কর্পোরেশনের নির্ধরীত ব্যক্তিদের যারা সুবিধা নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানের মেয়েদের কাছ থেকেও। সঠিক ভাবে খোজ নিলেই সত্যেতা বেরিয়ে আসবে শাওনের যতো অপরাধ । প্রতিমাসেই কোনো না কোনো দেশে বেড়াতে যান শাওন, খেলা দেখা কিংবা জন্মদিন পালনেও বিদেশে যেতে হয় তাকে এতো টাকার উৎস একমাত্র অবৈধ কামাই রয়েছে তার । শাওন জানায় স্থানীয় প্রশাসন সহ রাজনৈতিক নেতারা ও সাংবাদিক সবাই তার টাকা খেয়ে সুযোগ করে দিচ্ছে অবৈধ ব্যবসা চালাতে।

শাওনের চারটি  প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে রয়েছে-১৩৮ গুলশান এভেনিউ (হান্ডি বিল্ডিং) লিপ্টের ৫,সেভেন ডোর নামের প্রতিষ্ঠান সহ ল্যাব এইড সংলগ্ন ভবনের পার্সবর্তি  ভবনের ৫ম তলায় অবস্থিত সেভেন রোজ নামক প্রতিষ্ঠান, গুলশানের রোড নং ৪১,বাড়ি নং ৭/এ,২য় তলায় রয়েছে ্লেসি কেয়ার নামক প্রতিষ্ঠান, গুলশানের কামাল আতাতুর্ক এভেনিউ এর রোড নং ৩৮,বাড়ি নং ৪৯, (১০ম তলা) অবস্থিত সেভেন স্কাই নামক প্রতিষ্ঠান ।

এসব প্রতিষ্ঠান থেকে শাওনের অবৈধ আয় কোটি টাকা ছাড়িয়ে। আইনশৃংখলা বাহিনীর অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসবে অভিযোগের সত্যতা। ভূক্তভোগীরা অতিদ্রুত আইনী পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রতারনা বন্ধের দাবি জানায় ।

 

Share.

About Author

Leave A Reply