শিরোনাম:

নামমাত্র ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে চলছে নারী বাণিজ্য ক্ষিপ্ত সুশিল,নিরব প্রশাসন !

0

সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক: গুলশান এলাকায় লাইসেন্স নিয়ে নারী বাণিজ্যের অভিযোগ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,“অল দি বেষ্ট” নামক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ২০১৮/২০১৯ সালে নারী বাণিজ্যর অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের মালিক হাসানের বিরুদ্ধে মানব পাচার  আইনে গুলশান থানায় একাধিক মামলা হয় এবং আরো জানাযায় কিছুদিন আগে ১৩০নং রোডের ১১/এ নং বাড়ির ৮ম তলায় রয়েছে হাছানের আরো একটি পার্লার সেখানে পুলিশ অভিযান চালিয়ে খদ্দেরসহ বেশ কয়েকজন নারী গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় গুলশান থানা পুলিশ।

অতপর প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে গেলেও বর্তমান দেদার্ছে চলছে উক্ত প্রতিষ্ঠান। থেমে নেই হাসানের যতো অপরাধ কর্মকান্ড, রোড নং-৪৪,বাড়ি নং-২৫, ডি/৪ “অল দ্যা বেষ্ট” নামক প্রতিষ্ঠানের একই বাণিজ্য রয়েছে বলে জানাগেছে। প্রতিষ্ঠানটির আড়ালে চলছে প্রতারনা ও অসামাজিক ব্যবসা থানা পুলিশ উক্ত বিষয়ে সব কিছু জানলেও নিরবতা পালন করে যাচ্ছে। তারা স্পা বা ম্যাসাজ সেন্টারের নাম করে যে ধরনের কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে এতে সামাজিক অবক্ষয় দিনদিন বেড়েই চলেছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা কমছে বলে সুুশিল সমাজের অভিমত ।

সম্প্রত্তি,দলীয় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় চালিয়ে যাচ্ছে এসব অপকর্ম। এমনকি উক্ত প্রতিষ্ঠানে আসা খদ্দেরদের প্রতারনা করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ।জানাযায় শুধু মাত্র ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে চলছে এসব অপকর্ম। যদিও ট্রেড লাইসেন্সে উল্লেখ নেই স্পা কিংবা ম্যাসাজ পার্লার বা কাজের ধরন তা উপেক্ষা করেই চলছে নারী বানিজ্য । এভাবে শতকোটি টাকার মালিক বনে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভূক্তভোগীদের অভিযোগ ম্যডি-ট্রিটমেন্টের নামে চালাচ্ছে পতিতাবৃত্তির ব্যবসা ।

কলেজ ভার্সিটিতে পড়ুয়া মেয়েদের দিয়ে ম্যাসাজের নামে চালাচ্ছে অশ্লিল প্রতারনা,হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। অভিনব প্রচারনায় মুগ্ধ হয়ে টাকাওলা ব্যক্তিরা সুস্থ থাকার লোভে পড়ছে প্রতারনার ফাঁদে। অসংখ্য ভূক্তভোগীরা লজ্জা ও মানসম্মানের ভয়ে প্রশাসনের কাছে মূখ খুলছে না তারা, নিরুপায় হয়ে সাংবাদিকের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেন। উক্ত বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গেলে উপরোক্ত সত্যতা পাওয়া যায় এবং হাসান বিষয়টি জানতে পারে ,অত:পর সাংবাদিককে ফোন মারফত চাঁদাবাজির মামলা দিবে বলে হুমকী দেয় ও জানে মেরে ফেলার ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করেন। এবং উক্ত বিষয়ে লেখালেখি করলে পরিনাম ভাল হবে না বলে শাশায়।

এদিকে গুলশান নাভানা টাওয়ারের ১৮ তলায় “লাইফ স্টাইল” নামক প্রতিষ্ঠানটিতে অনুসন্ধানে গেলে বেরিয়ে আসে একই ধরনের অভিযোগ । বেরিয়ে আসে প্রতিষ্টানের মালিকের নামসহ কয়েকজন ক্ষমতাশীন ব্যক্তিদের নাম। প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার/মালিক তন্নি বলেন প্রশাসনের মদদেই চলছে প্রতিষ্ঠান কেউ কিছুই করতে পারবে না। যে কারনে সাংবাদিককে চাঁদাবাজির মামলা সহ দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। অথচ তার বিরুদ্ধে মানব পাচার দমন আইনে ২০১৯ সালে একটি মামলাও হয়েছে যাহা গুলশান থানায় রেকর্ড । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি জানায় বিভিন্ন ম্যাসাজের রেট দেওয়া সত্বেও অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিনব কৌসলের কথা, প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মেয়েরা গোপন কক্ষে খদ্দেরকে নিয়ে বিপাকে ফেলে অত:পর অন্ধকার রুমে আঁলো আঁধারে শুইয়ে শরীর ম্যাসাজ করার একপর্যায়ে খদ্দেরের শরীর উত্তেজিত করে টাকা আদায়ের ফন্দি শুরু করে।

প্রতিমাসে নামমাত্র আয় দেখিয়ে কন্টাক্ট ভিত্তিতে আয়কর দিচ্ছে সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারীত ব্যক্তিদের যারা সুবিধা নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানের কর্মরত মেয়েদের কাছ থেকেও। সঠিক ভাবে খোজ নিলেই সত্যেতা বেরিয়ে আসবে এসমস্ত প্রতিষ্ঠানের আসল রুপ।

উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক বলেন, পুলিশ কিংবা প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছি ।আশপাশের লোকজন জানায় ব্যবসাটি অবৈধ বলেই ম্যানেজ করতে হয়।সবই প্রশাসনের  জানা। আরো বিস্তারিত পরে…

Share.

About Author

Leave A Reply