সফলতায় সাংসদ আলী আযম মুকুল

0

সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক: আলী আজম মুকুল ১৯৭২ সালের ৩রা আগস্ট ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। পিতা- বীর মুক্তিযোদ্ধা আশ্রাফ আলী মাতা- রহিমা বেগম। তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলির সদস্য ও বরেণ্য রাজনীতিবিদ সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদের ভাতিজা। ছোট বেলা থেকেই চাচা দেশবরেণ্য রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ এর আদর্শ ও জনপ্রিয়তায় আকৃষ্ট হয়ে পারিবারিক ভাবে রাজনীতির সাথে জড়িত হন আলী আযম মুকুল। তিনি দৌলতখান পৌরসভার তৃতীয় কনিষ্ঠ মেয়র ছিলেন।

২০১৪ সালে জাতীয় নির্বাচনে ১ম সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। তার নির্বাচনী এলাকা ভোলা-২ (১১৬)। আলী আযম মুকুল অবহেলিত, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করার মাধ্যমে তরুণ বয়সেই তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। জনশ্রুতি রয়েছে, তরুণ এ জননেতার কাছে যেকোন পেশা শ্রেণীর মানুষই তাদের সমস্যা নিয়ে তার খুব কাছাকাছি যেতে পারেন, এবং তিনি ভুক্তভোগীদের কথা মন দিয়ে শুনে তাতক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। এ কারণে এলাকার জনগণ তাকে মানবতার মুকুল নামে উপাধি দিয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, ১০ম নির্বাচনে জাতীয় সংসদকে সাজিয়েছেন তারুণ্য নির্ভর এক ঝাক এমপি ও মন্ত্রীর সমন্বয়ে। ওই সকল এমপি-মন্ত্রীদের নিরলস কাজের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে তারা বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে উন্নয়নের একটি রোল মডেল হিসেবে। বিশ্বের স্বল্পন্নোত বিভিন্ন দেশ আজ বাংলাদেশকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গ্রহণ করেছে। তরুণ জনপ্রিয় সাংসদদের মধ্যে একজন হলেন ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনের এমপি আলী আযম মুকুল। তিনি তার মেধা, শ্রম, যোগ্যতার মাধ্যমে নিজেকে দুই উপজেলার মানুষের কাছে জনপ্রিয় করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি দিন-রাত তার নির্বাচনী এলাকার মানুষ নিয়ে ভাবেন। সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি তার নির্বাচনী এলাকা চসে বেড়ান। খুঁজে বের করেন বিভিন্ন সমস্যা। যেখানে সমস্যা, সেখানেই তিনি নিজের সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যান সমাধান দেয়ার। তার কাছে কোন রাজনৈতিক ভেদা-ভেদ নেই। তার এলাকার যে কোন দলের লোক তার কাছে যেতে পারেন। সহজেই বলতে পারেন তাদের কথা। এ জন্যই এই এলাকার সাধারণ মানুষ বলছেন, এই আসনের সাবেক সকল সাংসদদের জনপ্রিয়তাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন তরুণ সাংসদ আলী আযম মুকুল। এটা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র তার নিজের যোগ্যতা ও জনগণের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততার কারনেই। দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন এলাকার মাটি ও মানুষের সাথে মিশে গেছেন সাংসদ আলী আযম মুকুল। এলাকার মানুষ যেকোন সমস্যায়, যেকোন সময়ে তাকে তাদের পাশে পান। আলী আজম মুকুল এমপি তার নির্বাচনী এলাকা থেকে সকল প্রকার মাদক, জুয়া ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড কঠোর হস্তে দমন করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি তার নির্বাচনী এলাকাকে নিরাপত্তার বলয়ের মধ্যে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন। এমনকি এই দুই উপজেলায় বাল্য বিবাহ নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি যা শতভাগের কাছাকাছি চলে এসেছে। যে কোন সময় শতভাগ বাল্য বিবাহ মুক্ত ঘোষণা করা সম্ভব হবে দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন এই দুই উপজেলাকে।

এছাড়াও তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করছেন। রাস্তাঘাট, পুল-কালভার্ট, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার ব্যাপক সংস্কার সাধন করেছেন। দুই উপজেলার মধ্যে বোরহানউদ্দিন উপজেলার বালক মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আব্দুল জব্বার কলেজ এবং দৌলতখানের আবি আবদুল্লাহ কলেজ সরকারী করণ করতে সক্ষম হয়েছেন। বোরহানউদ্দিন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া দৌলতখান উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন, ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে থানায় একটি আধুনিক ভবন নির্মাণ, দুই উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নতুন অবয়বে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স স্থাপন, এবং হাসপাতালে একটি সরকারী এ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেন, যা এর আগে কেউ করতে পারেনি। অপরদিকে তার একটি বড় অবদান হচ্ছে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের কাছ থেকে এই দুই উপজেলায় মেঘনা-তেঁতুলিয়ার ভাঙ্গন রোধের জন্য ৫শ’ ৫১কোটি টাকা বরাদ্দ করানো। জনমত জরিপ করতে গিয়ে কথা হয় দৌলতখান উপজেলার দক্ষিন জয়নগর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার নাজিমউদ্দিন শিপনের সাথে। তিনি বলেন, এই আসনের সাবেক যে কোন এমপির চেয়ে তিনি আলাদা। তাকে আমরা যে কোন সময় কাছে পাই। তিনি আমাদের সকল দুঃখ-দুর্দশা শোনেন এবং সাধ্যমত মিটানোর চেষ্টা করেন। তার কাছে কোন শ্রেণী ভেদা-ভেদ নেই। তিনি গরীব-ধনী, উঁচু-নীচু সকলের মাঝে বিরাজ করেন। শোনেন তাদের কথা। এছাড়া তিনি এলাকার সন্তান। তার রয়েছে নাড়ীর টান। এ জন্যই তিনি সবসময় এলাকায়-ই থাকেন। যদিও প্রয়োজনে ঢাকায় যান, তখন তিনি কাজ সেরে দ্রুত নির্বাচনী এলাকার মানুষের মাঝে ফিরে আসেন। এমপি আলী আযম মুকুলের সাংগঠনিক কর্মকান্ড অত্যন্ত চমৎকার। তিনি স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করেন, ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মী এবং দলের বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথেও যোগাযোগ রক্ষা করেন। দুই উপজেলার আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা বিগত দিনের চেয়ে বর্তমানে অনেক শক্তিশালী ও সুসংগঠিত।

স্থানীয় নেতৃবৃন্দ তরুণ জনপ্রতিনিধি আলী আযম মুকুলকে পেয়ে তাদের মাঝে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। উক্ত আসনের একজন স্কুল শিক্ষক বলেন, আমাদের এমপি মহোদয়কে নিয়ে আমরা গর্ব করি, তিনি সব সময় নিজ এলাকায় থাকেন এবং সাধারণ জনগণের দুঃখ, দুর্দশা শোনেন ও লাঘবের চেষ্টা চালান। এছাড়াও তার নিজস্ব যোগ্যতার কারণে তিনি তার নির্বাচনী এলাকার মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন।

Share.

About Author

Leave A Reply