Tags

উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রলীগ কর্তৃক ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন।

0

সংবাদ প্রকাশঃ মাসুম পারভেজঃ ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোকের দিন।বাংলার আকাশ-বাতাস আর প্রকৃতিও ছিলো সেদিন অশ্রুসিক্ত।কেননা পঁচাত্তরের এই দিনে আগস্ট আর শ্রাবণ মিলেমিশে একাকার হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর রক্ত আর আকাশের মর্মছেঁড়া অশ্রুর প্লাবনের।

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রলীগ কর্তৃক আয়োজিত আজকের আলোচনা সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উত্তরা মাটি ও মানুষের নেতা ঢাকা -১৮ নং আসনের আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী উত্তরা ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আফছার উদ্দিন খান।

প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তরের সংগ্রামী সভাপতি মোঃ ইব্রাহীম হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ উত্তর মহানগরের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সাবেক সাধারন সম্পাদক,উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রলীগ সালমান খান প্রান্ত।
উক্ত অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রলীগের বিপ্লবী সাধারন সম্পাদক মোঃ সাজ্জাদুল ইসলাম সাজ্জাদ।

এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোঃ কামরুল হাসান সহ উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

উত্তরা পশ্চিম থানার সাধারন সম্পাদক সাজ্জাদুল ইসলাম সাজ্জাদ বলেন- ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু সহ তার সপরিবার কে হত্যা করেন। সেই খুনি জিয়ার পরিকল্পিত পরিকল্পনায় ১৫ই আগস্ট এই ন্যাক্কার জনক হত্যাকান্ড ঘটায়।আমি চাই পলাতাক আসামীদের দেশে ফিরিয়ে এনে জনসমাবেশ করে প্রকাশ্য ফাসি দেওয়া হোক। তিনি আরও বলেন ১৫ই আগস্ট আমাদের জন্য যেমন শিক্ষা তেমন চেতনাও।এই দিনটির রাজনৈতিক শিক্ষাকে গ্রহণ করে বঙ্গবন্ধুর চেতনায় ছাত্রলীগকে আগামীর পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়াও উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কামরুল হাসান বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে বাঙালিরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে।তিনি পাকিস্তানে আটক ছিলেন তখন কিন্তু তাঁকে হত্যা করা হয়নি।কিন্তু তিনি যেই দেশটাকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, যিনি দেশের জন্য তাঁর জীবন যৌবন সব ত্যাগ করলেন, যেই বাঙালিদের তিনি ভালোবেসেছেন, সেই বাঙালিরাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে।যেটা সত্যিই আমাদের জন্য কলঙ্কময় এক অধ্যায়।

Share.

About Author

Leave A Reply