Tags

বসুন্ধরা স্টার হোটেলের বেপরোয়া মাদক ও নারী বানিজ্য।

0

সংবাদ প্রকাশ ডেস্কঃ দেশে চলমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সরকার নানা ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি মানুষের সচেতনা বৃদ্ধি ও সাস্থ ঝুঁকি কমাতে প্রশাসনের নানামুখী পদক্ষেপ লক্ষ্যনীয়। খোজ নিয়ে জানাযায় অসাধু হোটেল ব্যাবসায়ীদের কারনে মাদক বানিজ্য সহ স্কুল পড়ুয়া অপ্রাপ্ত বয়সের ছেলে মেয়েরা জড়িয়ে যাচ্ছে নেশায়। একই সাথে অসামাজিক কাজেও জড়িয়ে যাচ্ছে কোমলমতি কিশোর কিশোরী, ফাকে ফায়দা লুটছে দালাল চক্র।

বসুন্ধরা যমুনা ফিউচার পার্ক সংলগ্ন হোটেল স্টার সহ আশপাশের কয়েকটি হোটেলে চলছে এসব অপকর্ম। এ বিষয়ে স্টার হোটেলের মালিক স্বপন এর নিজ ভাই ম্যানেজার সুজনের মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে অকপটে স্বীকার করে, অতপর প্রতিনিধিকে দেখা করার জন্য আহ্বান জানায়। উক্ত প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা সুজন জানায় তাদের সকল কর্মকান্ড সম্পর্কে থানা প্রশাসন ও এলাকার সাংবাদিকগন অবগত রয়েছে। যে কারনে তাদের বিরুদ্ধে কিছুই করা সম্ভব নয় বলে জানায়।

তথ্যসুত্রে জানাযায় এযাবৎ স্টার হোটেলে অসংখ্য অঘটন সহ হত্যার ঘটনা রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ডর্জনের অধিক মামলা চলমান ও তদন্তনাধীন অবস্থায় রয়েছে। এমতাবস্থায় কিভাবে একটি প্রতিষ্ঠান প্রশাসনের চোখে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পূর্বেকার অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে যায়? এলাকাবাসীর প্রশ্ন। সুত্রে জানাযায় গত কয়েকদিন পূর্বে দাউদ কান্দি মডেল থানা কর্তৃক মাদকের একটি বড় চালান সহ আসামী কেয়া ও রফিককে আটক করে এবং মামলা দেয় আসামীদয় উক্ত মামলায় জামিনে আসে। এসব মাদকচক্র হোটেল স্টারের মালিক স্বপনের সহযোগী। ভাটারা থানার এসআই.৫০ পিচ ইয়াবা সহ স্টাফ জসিমকে গ্রেফতার করে অতপর মোটা অংকের টাকায় ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উক্ত হোটেলে মাদক ও নারী বানিজ্যের সাথে জড়িত রয়েছে স্বপন, জামান, জাকির,সুজন, ফরহাদ, মেঘলা,মৌসুমি ও  তরুন এরা সবাই মাদক বিক্রেতা বলে জানাযায়।

এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম জানায়, শ্বপন গংদের দৌরাত্বের কথা, উক্ত প্রতিষ্ঠানে মাদক নারী বানিজ্য সহ প্রতারনার ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে থাকে , আমরা এর জোর প্রতিবাদ জানাই এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ।

ভবন মালিক গিয়াস সরকার জানায় অভিযুক্ত ব্যবসায়ী চলমান ভাড়ার চুক্তি নবায়ন ছাড়াই জোর পূর্বক ভবন দখল করে অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে । ভবন মালিকের ছেলে সাগর সরকার  ভাড়াটিয়া শ্বপনের ব্যবসার ধরন জানতে পেরে প্রতিবাদ করায় হেনস্থা হতে হয় তাকে এবং ভবন ছাড়ার নোটিস করা সত্বেও শ্বপন গং ভবনের ভিতরে আবাসিক হোটেল ব্যবসার অন্তরালে নারী ও মাদক বানিজ্য করে যাচ্ছে । তারা কোনো ভাবেই শ্বপন গংদের সাথে জড়িত নয় এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।  অপরাধী গংদের অতিদ্রুত আইনের মাধ্যমে সকল অপরাধ বন্ধের  দাবী জানায় এলাকার সাধারন মানুষ   ।

Share.

About Author

Leave A Reply